ইতিহাসের পথ ধরে || বাংলাদেশ



আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠী-

১. নেগ্রিটো

২. অস্ট্রিক

৩. দ্রাবিড়

৪. ভোটচেনীয়/মঙ্গলীয়


বাংলার প্রাচীন জনপদসমূহ-

* পুন্ড্র

* বরেন্দ্র

* বঙ্গ

* সমতট

* হরিকেল

* রাঢ়

* গৌড়


মৌর্য যুগ-

চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য (খ্রি.পূর্ব ৩২৮- খ্রি.পূর্ব ৩০০)-

*ভারতের প্রথম সম্রাট।

*রাজধানী- পাটলীপুত্র (পাটনা)

*প্রধানমন্ত্রী- চাণক্য (ছদ্মনাম কৌটিল্য)

বিন্দুসার

সম্রাট অশোক(খ্রি.পূর্ব ২৭৩- খ্রি.পূর্ব২৩২)-

*চার ভাইয়ের মধ্যে ২য়; নিষ্ঠুরতার জন্য লোকে চন্ডাশোক বলত।

*উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। পুন্ড্রনগর ছিল এ প্রদেশের রাজধানী।

*মহাস্তানগড়ে সম্রাট অশোকের একটি শিলালিপি পাওয়া গেছে।

বৃহদ্রথ 


গুপ্ত যুগ-

১ম চন্দ্রগুপ্ত(৩২০-৩৪০খ্রি.)

সমুদ্রগুপ্ত(৩৪০-৩৮০খ্রি)

২য় চন্দ্রগুপ্ত(৩৮০-৪১৫খ্রি)


গুপ্ত পরবর্তী যুগ(৬০৬-৬৪৭খ্রি.)-

১.বঙ্গরাজ্য

২.গৌড়রাজ্য-

*শশাঙ্ক

*হর্ষবর্ধন


মাৎস্যন্যায়-৭ম ও ৮ম শতকের অরাজকতাপূর্ণ সময়।


পাল শাসন(৭৫৬-১১৬১খ্রি.)-

*গোপাল(৭৫৬-৭৮১খ্রি.)

*ধর্মপাল(৭৮১-৮২১খি.)

*মহীপাল-

    ১ম মহীপাল(৯৮৮-১০৩৮খ্রি.)

    ২য় মহীপাল(১০৬৯-১০৮২খ্রি.)

*রামপাল(১০৮২-১১২৪খ্রি.)

*গোবিন্দপাল(১১৫৫-১১৬১খ্রি.)


সেন শাসন(একাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি-১২০৪খ্রি.)-

*সামন্ত সেন

*হেমন্ত সেন

*বিজয় সেন(১০৯৮-১১৬০খ্রি.)

*বল্লাল সেন

*লক্ষ্মণ সেন(১১৭৮-১২০৪খ্রি.)


বাংলায় মুসলিম শাসন


*বখতিয়ার খলজী(১২০৪-১২০৬খ্রি.)

*আলী মর্দান খলজী(১২০৬খ্রি.)

*গিয়াসউদ্দিন ইওয়াজ খলজী(১২১২খ্রি.)

*নাসিরউদ্দিন মাহমুদ(১২২৭খ্রি.)

*বুগরা খান(১২৮৭খ্রি.)

*মুহাম্মদ বিন তুঘলক(১৩২৬খ্রি.)


স্বাধীন সুলতানী শাসন(১৩৩৮-১৫৩৮খ্রি.)


*ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ

*শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ

*সিকান্দার শাহ

*গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ

*নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহ

       -ইলিয়াস শাহী বংশের ২য় শাখার প্রতিষ্ঠাতা

**খান জাহান আলী

             -নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের সময়ের বিখ্যাত ইসলাম প্রচারক

             -খুলনা, যশোর, বাগেরহাট দখল করে শাসন পরিচালনা

*আলাউদ্দিন হুসেন শাহ

*নুসরত শাহ

    -১৫২৯ সালে সম্রাট বাবুর নুসরত শাহের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হলে নুসরত শাহ পরাজিত হন এবং বাবুরের সাথে সন্ধি করেন।

*গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ

     -বাংলার শেষ স্বাধীন সুলতান

#শের শাহ(১৫৩৮-১৫৪৫খ্রি.)


মুঘল শাসন(১৫২৬-১৭১৭খ্রি.)

*জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর(১৫২৬-১৫৩০খ্রি.)

*হুমায়ন(১৫৩০-১৫৫৬খ্রি.)

*আকবর(১৫৫৬-১৬০৫খ্রি.)

   -১৫৭৬ সালে রাজমহলের যুদ্ধে দাউদ খান কররানী মুঘল বাহিনীর নিকট পরাজিত হলে বাংলায় কররানী শাসনের অবসান হয় এবং মুঘল শাসনের সূত্রপাত ঘটে।

আকবরের নবরত্ন-

ফৈজি, বীরবল, মানসিংহ, তানসেন, আবুল ফজল, মোল্লা দোপেয়াজা, বাদাউনী, টোডরমল, বৈরাম খান।


*জাহাঙ্গীর(১৬০৫-১৬২৭খ্রি.)

*শাহজাহান(১৬২৭-১৬৫৮খ্রি.)

*আওরঙ্গজেব(১৬৫৮-১৭০৭খ্রি.)

*শাহজাদা মুহাম্মদ সুজা(শাহজাহানের ২য় পুত্র)

    -জনৈক ইংরেজের চিকিৎসায় কন্যার আরোগ্য লাভের কারণে ১৬৫১ সালে বার্ষিক মাত্র ৩০০০ টাকার বিনিময়ে বাংলায় ইংরেজদেরকে বাণিজ্য করার অনুমতি দেন।


**মীর জুমলা(১৬৬০-১৬৬৩খ্রি.) 

**শায়েস্তা খান(১৬৬৩-১৬৭৮খ্রি.,১৬৭৯-১৬৮৮খ্রি.)

    #শায়েস্তা খানের অন্তবর্তীকালীন সময়ে-ফিদাই খান+শাহজাদা মুহাম্মদ আযম

নবাবী আমল(১৭১৭-১৭৫৭খ্রি.)

*নবাব মুর্শিদকুলি খান

*নবাব আলীবর্দী খান

*নবাব সিরজউদ্দৌলা(জন্ম-১৭৩৩খ্রি.)

উপমহাদেশে মুসলিম শাসনের সূচনা

*মুহাম্মদ বিন কাসিম(৭১২খ্রি.)

*সুলতান মাহমুদ(১০২৬খ্রি.)

*মুইজুদ্দীন মুহাম্মদ ঘুরী(১১৯২খ্রি.)

*কুতুবউদ্দীন আইবেগ(১১৯২খ্রি.)

*শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ(১২১১খ্রি.)

*সুলতানা রাজিয়া

ভারতের রাজবংশ

*দাস বংশ(১২০৬-১২৯০)

*খলজী বংশ(১২৯০-১৩২০)

*তোঘলক বংশ(১৩২০-১৪১৩)

*সৈয়দ বংশ(১৪১৪-১৪৫১)

*লোদী বংশ(১৪৫১-১৫২৬)

পরিব্রাজকগণ-

*মেগাস্থিনিস (খ্রি.পূ ৩২০)- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য

*ফা হিয়েন (৩৮০-৪১৪খ্রি.)- ২য় চন্দ্রগুপ্ত

*হিউয়েন সাং (৬৩০-৬৪৪খ্রি.)- হর্ষবর্ধন

*ইবনে বতুতা (১৩৩৩-১৩৪৫খ্রি.)- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ

*মা হিয়েন (গিয়াসউদ্দিন আযম শাহের সময়)- গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ


ইউরোপীয়দের আগমন


*পর্তুগীজ নাবিক বার্থোলেমিউ দিয়াজ ১৪৮৭ সনে আফ্রিকা থেকে জলপথে এশিয়া আসার পথ আবিষ্কার করেন।

*১৪৯৮ সনে ভাস্কো দ্য গামা উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে পৌছান।


পর্তুগীজদের আগমন-

*১৫১৪ সালে উড়িষ্যার পিপলী নামক স্থানে প্রথম বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে পর্তুগীজরা।

*প্রথম গভর্নর ছিলেন বুকার্ক।

*শেরশাহ পর্তুগীজদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করেন।

*পর্তুগীজরা বাংলাদেশে ফিরিঙ্গি নামে পরিচিত। 

*পর্তুগীজরা এদেশে অত্যাচার ও ডাকাতি করত।


ওলন্দাজদের আগমন-

*হল্যান্ডের অধিবাসী ডাচ বা ওলন্দাজ।

*পর্তুগীজরদর দেখাদেখি এদেশে আসে।

*ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে।

*ইংরেজদের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে ইন্দোনেশিয়ায় গিয়ে উপনিবেশ স্থাপন করে।


দিনেমারদেরা আগমন-

*ডেনমার্কের অধিবাসী।

*ডেনিস ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে।


ইংরেজদের আগমন-

*রাণী ১ম এলিজাবেথ এবং আকবরের শাসনআমল।

*২১৮ জন ইংরেজ।

*১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন।

*ক্যাপ্টেন হকিন্স ১৬০৮ সালে বাণিজ্য কুঠি স্থাপনের জন্য সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে সুপারিশ পেশ।

*জাহাঙ্গীর কর্তৃক সুরাটে বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি। ঐ সালেই(১৬০৮) কুঠি স্থাপন।

*১৬৫১ সালে বিনা শুল্কে বাণিজ্য করার অধিকার দেন শাহজাদা সুজা।

*১৬৯০ সালে কোম্পানির এজেন্ট জন চার্নক সুতানটি গ্রামে একটি নগর প্রতিষ্ঠা করেন। কলকাতা ও গোবিন্দপুর মিলে বড় হয় নগরটি। গড়ে ওঠে শহর কলকাতা।

*১৬৯৮ সালে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ নির্মাণ কলকাতায়।


ফরাসিদের আগমন-

*সর্বশেষ আসে ফরাসিগণ। 

*প্রায় ১০০ বছর বাণিজ্য করে।

*১৭৬০ সালে বন্দীবাসের যুদ্ধে ইংরেজদের নিকট পরাজিত।


ব্রিটিশ ভারতের গভর্নরগণ-


১। লর্ড ক্লাইভ-

*১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে জয়ী।

*১৭৬৫ সালে মুঘল সম্রাট ২য় শাহ আলমের সাথে এলাহাবাদ চুক্তি- বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ।

*দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন- নেজামত অর্থাৎ বিচার ও শাসনের দায়িত্ব নবাবের হাতে, রাজস্ব আদায় ও দেশরক্ষার দায়িত্ব কোম্পানির হাতে।


২। লর্ড কার্টিয়াব-

*১৭৭০ সালে অনাবৃষ্টি ও খরা; দুর্ভিক্ষ।

*প্রায় ১ কোটি লোকের মৃত্যু(এক তৃতীয়াংশ মানুষ)- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর।


৩। ওয়ারেন হেস্টিংস (১৭৭২-১৭৮৫)-

*১ম রাজস্ব বোর্ড স্থাপন।

*দ্বৈত শাসন রদ।

*পাঁচশালা বন্দোবস্ত চালু- ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা পাঁচ বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার নিয়ম।

*প্রজাসাধারনের ওপর জুলুম নির্যাতনের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় জোরদার করেন এবং ১৭৭৪ সালের মধ্যে কোম্পানির রাজস্ব উদ্বৃত্ত দেখাতে সক্ষম হন। তার কর্মতৎপরতায় সন্তুষ্ট হয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাকে ১৭৭৪ সালে গভর্নর জেনারেল পদে উন্নীত করেন।

*১৭৮১ সালে কোলকাতা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা।


৪। লর্ড কর্নওয়ালিশ(১৭৮৬-১৭৯৩)-

*ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস প্রবর্তন।

*১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী ভূমি বন্দোবস্ত প্রবর্তন- সূর্যাস্ত আইন বলবৎ।


৫। লর্ড ওয়েলেসলী(১৭৯৮-১৮০৫)-

*প্রথম সাম্রাজ্যবাদী বড়লাট।

*অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির প্রবর্তক।

*১৭৯৯সালে টিপু সুলতান ৪র্থ মহীশুরের যুদ্ধে পরাজিত। 

*১৮০০ সালে কোলকাতা ফোর্ট উইলিয়ার কলেজ প্রতিষ্ঠা।


৬। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক(১৮২৮-১৮৩৫)-

*১৮২৯ সালে সতীদহ প্রথা রহিত।

*১৮৩৫ সালে আদালতে ফরাসির পরিবর্তে ইংরেজী প্রচলন।

*১৮৩৫ সালে মুদ্রা আইন পাশ।

*১৮৩৫-কলকাতা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা।

*ম্যাকলে শিক্ষানীতি প্রণয়ন।


৭। লর্ড ডালহৌসি(১৮৪৮-১৮৫৬)-

*আধুনিক ভারতের রূপকার।

*১৮৫৩- রেল যোগাযোগ চালু।

*১৮৫৬- বিধবা বিবাহ আইন পাশ।


ভাইসরয়গণ-


১। লর্ড ক্যানিং(১৮৫৬-১৮৬২)-

*১ম ভাইসরয়।

*১৮৫৭- সিপাহী বিদ্রোহ।

*১ম কাগজী মুদ্রা চালু।


২। লর্ড মেয়ো(১৮৬৯-১৮৭২)-

*১৮৭২- ভারতবর্ষের প্রথর আদমশুমারি।


৩। লর্ড লিটন(১৮৭৬-১৮৮০)-

*খ্যাতনামা সাহিত্যিক।

*অস্ত্র আইন ১৮৭৮- বিনা লাইসেন্সে অস্ত্র রাখা নিষিদ্ধ।

*১৭৭৮- সংবাদপত্র আইন পাশ করে দেশীয় ভাষায় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হ্রাস।


৪। লর্ড রিপন(১৮৮০-১৮৮৪)-

*সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা।

*১৮৮২- প্রথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সংস্কারের জন্য হান্পার কামিশন গঠন।

*ইলবার্ট বিল প্রণয়ন- ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয় অপরাধীদের বিচার করার ক্ষমতা।

*বেঙ্গল মিউনিসিপাল অ্যাক্ট প্রবর্তন করে প্রথম স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন।

*১৮৮১- ফ্যাক্টরী (৮ঘন্টা কাজ) পাশ।


৫। লর্ড কার্জন(১৮৯৯-১৯০৫)-

*বঙ্গভঙ্গ(পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ- ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও আসাম; রাজধানী-ঢাকা। পশ্চিমবাংলা- পশ্চিবঙ্গ, বিহার, উড়িষ্যা; রাজধানী- কোলকাতা)

*ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা।


৬। লর্ড মিন্টো(১৯০৫-১৯১০)-

*মর্লি মিন্টো সংস্কার আইন- মুসলমানদের পৃথক নির্বাচনের অধিকার।


৭। লর্ড হার্ডিঞ্জ(১৯১০-১৯১৬)-

*বঙ্গভঙ্গ রদ(১৯১১)- বেঙ্গল প্রদেশ সৃষ্টি, রাজধানী- কোলকাতা

*১৯১২ সালে ভারতের রাজধানী কোলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তর। 

*নাথান কমিশন গঠন।

*সারদা পুলিশ একাডেমী স্থাপন(১৯১২)।


৮। লর্ড চেমসফোর্ড(১৯১৬-১৯২১)-

*১৯১৯-ভারত শাসন আইন(মন্টেগু চেমসফোর্ড সংস্কার আইন)।

*১৯১৯-খেলাফত আন্দোলন।


৯। লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন(১৯৪৭)-

*ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয়।

*১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারত স্বাধীনতা আইন পাশ।

*ভারত পাকিস্তানের জন্ম।

*র‌্যাডক্লিফ কমিশনের মাধ্যমে সীমারেখা চিহ্নিত।  


ফকির সন্ন্যাসী আন্দোলন ঃ (১৭৬০-১৮০০)

*ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর বিরুদ্ধে ১ম বিদ্রোহ ।

*ফকিরদের সাথে সন্ন্যাসীরাও বিদ্রোহে যোগ দেন। 

*১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে মীর কাশিম তাদের সাহায্য প্রার্থী হন। এ যুদ্ধে মীর কাশিম পরাজিত হলেও আন্দোলন থেমে থাকেনি। 

*নেতা ছিল মজনু শাহ ও ভবানী পাঠক। 


তিতুমীরের আন্দোলন ঃ 

*তিতুমীর ১৭৮২ সালে পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসত মহকুমার অন্তর্গত চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 

*তিতুমীরের প্রকৃত নাম মীর নেছার আলী। 

*প্রথম বারাসতে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ইংরেজ বাহিনী তিতুমীরের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত ।

*নারিকেলবাড়িয়ায় ১৮৩১ সালে বাঁশের কেল¬া নির্মাণ করেন। 

*কোম্পানি সরকার ১৮৩১ সালে ইংরেজ লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে এক বিরাট বাহিনী প্রেরণ করে। 

*ইংরেজ কামান ও গোলাগুলিতে বাঁশের কেল্ল¬া চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়। তিতুমীর ও তার চল্লি¬শ সহচর শহীদ হন। 

*তিতুমীর প্রথম বাঙ্গালী হিসাবে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করে শহীদ হন। 

ফরায়েজী আন্দোলন ঃ 

*ঊনবিংশ শতাব্দীতে মুসলমান সমাজের ধর্মীয় সংস্কারের জন্য এগিয়ে আসেন হাজী শরীয়তুল্ল¬াহ। 

*ইসলামের ফরজ কাজ পালনের জন্য জোর প্রচার চালান। ফরয শব্দ থেকে আন্দোলনের নাম ফয়ায়েজী আন্দোলন । 

*প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর । 

*তার মৃত্যুর পর এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তার পুত্র মহসীন উদ্দীন ওরফে দুদু মিয়া। ‘জমি থেকে খাজনা আদায় আল্ল¬াহর আইনের পরিপন্থি।’ এ উক্তি দুদু মিয়া প্রচার চালান। 


১৮৫৭ মহা অভ্যুত্থান ঃ 

*১৮৫৭ সালের ২৬ জানুয়ারি ব্যারাকপুরের সিপাহীরা প্রথম বিদ্রোহ করে। 

*বিদ্রোহীরা দিল্লি¬ অধিকার করে মোঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে ভারতের সম্রাট বলে ঘোষণা করে। 

* কেউ কেউ একে ‘জাতীয় সংগ্রাম’ বলে অভিহিত করেন। এটি ছিল পাক-ভারত উপমহাদেশের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ।

  


সিপাহী বিদ্রোহের ফলাফল ঃ ক) শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে রেঙ্গুনে (বর্তমান ইয়াঙ্গুনে) নির্বাসন দেওয়া হয়। 

খ) ১৮৫৮ সালের ২ আগষ্ট ব্রিটিশ সরকার ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটায়ে ভারতের শাসনভার ইংল্যান্ডের রাণী ভিক্টোরিয়ার হস্তে অর্পণ করেন।


নীল বিদ্রোহ ঃ

*অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে ইউরোপে শিল্পবিপ¬বের ফলে বস্ত্রশিল্পের অভূতপূর্ব উন্নতি । 

*নীল চাষীরা তাই প্রথমে সংঘবদ্ধভাবে নীল চাষে অসম্মতি জানায়। এ আন্দোলন ছিল অহিংস। আবেদন নিবেদন নিষ্ফল হলে আন্দোলন সশস্ত্র রূপ নেয়। 

*১৮৫৯-১৮৬০ এ আন্দোলন ফরিদপুর, যশোর, পাবনা, রাজশাহী, মালাদহ, নদীয়া বারাসত প্রভৃতি স্থানে ছড়িয়ে পড়ে।

*বিদ্রোহ দমন করার জন্য ইংরেজ সরকার ‘নীল কমিশন’ গঠন করে। 

*১৮৬০ সালে নীল বিদ্রোহের অবসান ঘটে। 


ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ঃ

প্রতিষ্ঠা- ১৮৮৫


প্রতিষ্ঠাতা- অবসরপ্রাপ্ত ইংরেজ সিভিলিয়ান অ্যালান অক্টাভিয়ান হিউম

প্রথম অধিবেশন- ১৮৮৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর বোম্বেতে(বর্তমনি মুম্বাই) ব্যারিস্টার উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে।


বঙ্গভঙ্গঃ

*লর্ড কার্জন এর সময়ে ১৬অক্টোবর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ।

*পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী ও আইনসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকায়।

*বঙ্গভঙ্গ রদ করার সুপারিশ করেন লর্ড হার্ডিঞ্জ।

*বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেয়া হয় ১২ ডিসেম্বর ১৯১১।


মুসলিম লীগ ঃ


প্রতিষ্ঠা- ৩০ ডিসেম্বর ১৯০৬

প্রকৃত নাম- নিখিল ভারত মুসলিম লীগ।

উদ্যোক্তা- নবাব সলিমুল্লাহ।

প্রথম অধিবেশন- ঢাকায়, নবাব ভিকারুলমূলক এর সভাপতিত্বে।


ক্ষুদিরাম

১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট ফাঁসি দেয়া হয় সদ্য কৈশোর উত্তীর্ণ ক্ষুদিরামের। বড়লাটকে বোমা মেরে হত্যার প্রচেষ্টায় এবং নিরীহ দুজন লোকের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে তাকে ফাঁসি দেয়া হয়। ক্ষুদিরামকে নিয়ে লেখা বিখ্যাত গান ‘একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি’ লিখেছেন কলকাতার বাকুড়ার লৌকিক গীতিকার পীতাম্বর দাস।


লক্ষেèৗ চুক্তিঃ

স্বাক্ষর- ১৯১৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর লক্ষেèৗতে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের নেতারা।

*হিন্দু ও মুসলমানদের সম্প্রীতি ও সমঝোতার এক মূল্যবান দলিল।


রাওলাট আইন ও জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ডঃ

প্রবর্তন- ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ১৯১৮ সালে।

*সংবাদপত্রের কন্ঠরোধ এবং যেকোন লোককে নির্বাসন ও বিনা বিচারে কারাদন্ড ও নির্বাসন দেয়ার ব্যবস্থা।

*১৯১৮ সালের ১৩ এপ্রিল অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগ উদ্যানে ১০ হাজার মানুষ সমবেত হয়। জেনারেল ডায়ার সমবেত জনগণকে কোনরূপ হুশিয়ারি প্রদান সা করে সেনাবাহিনিকে গুলি বর্ষনের নির্দেশ দেন। বহুলোক হতাহত হন।


ভারত শাসন আইন - ১৯১৯ ঃ

১৯১৯ সালে মন্টেগু-চেমসফোর্ড কর্তৃক ভারত শাসন সংস্কার আইন প্রণয়ন। আইনের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-

*দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইন পরিষদ তৈরি।

*প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা।

*শাসন পরিষদ গঠন ও ক্ষমতা বন্টন।

*সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।


খিলাফত আন্দোলনঃ

*১৯১৯ সালে মাওলানা মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে খিলাফত আন্দোলন পরিচালিত।

*তুর্কি সাম্রাজ্য রক্ষার জন্য ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন।

*প্রধান প্রধান নেতা- মাওলানা মোহাম্মদ আলী, মাওলানা শওকত আলী, ড. আনসারী, আবুল কালাম আজাদ, হাকিম আজমল খান প্রমুখ।


অসহযোগ আন্দোলনঃ

*রাউলাট আইন ও জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে মহাত্মা গান্ধী কর্তৃক ১৯২০ সালের ১০ মার্চ অসহযোগ আন্দোলন ঘোষণা।

*ভারতীয়গণ ব্রিটিশ সরকারের সাথে সহযোগিতা করা থেকে বিরত।


১৯২০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসের বিশেষ অধিবেশনে অসহযোগ ও খিলাফত আন্দোলন যুগপৎভাবে পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়। ১৯২২ সালের ৫ ফেব্র“য়ারি উত্তর প্রদেশের চৌচিরানামক একটি গ্রামে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। জনতা থানায় আগুন লাগিয়ে দেয়। ২২জন পুলিশ পুড়ে মারা যায়। আন্দোলন অহিংস থাকছেনা বলে গান্ধিজী আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করেন। অসহযোগ আন্দোলন সমাপ্তির পর খিলাফতি আন্দোলনও দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় মোস্তফা কামাল তুরস্কের ক্ষমতায় আসেন এবং খিলাফতের অবসান ঘটে। ফলে খিলাফত আন্দোলনেরও সমাপ্তি ঘটে।


** প্রীতিলতা ওয়াদ্দার ছিলেন মাস্টারদা সূর্যসেনের শিষ্য। মাস্টারদা সূর্যসেনের সাথে তিসি ১৯৩০ সালে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনকার্যে অংশ নেন। ১৯৩২ সালে অপারেশন শেষে ব্রিটিশদের হাতে ধরা পড়লে তিনি পটাসিয়াম সায়ানাইড পানে আত্মহত্যা করেন।


ভারত শাসন আইন-১৯৩৫

*১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে ভারতবাসীর আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। শাসনতান্ত্রিক সমস্যা সমাধানের জন্য ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইন প্রণয়ন করা হয়। এই আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ভারত শাসনে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার পদ্ধতি এবং প্রদেশগুলোর প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তন।


১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন-

*অবিভক্ত বাংলায় ১৯৩৭ সালে প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে মুসলিম লীগ ৪০ আসনে, কৃষক প্রজা পার্টি ৩৫ টি আসনে এবং স্বাতন্ত্র মুসলমান ৪১ আসনে এবং স্বাতন্ত্র হিন্দু ১৪ টি আসনে বিজয়ী হয়।


এ কে ফজলুল হকের প্রথম মন্ত্রীসভা-

*কোন দল একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে মুসলিম লীগ ও কৃষক প্রজা পার্টির কোয়ালিশন সরকার গঠিত হয়। অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন এ কে ফজলুল হক। 

*১৯৩৮ সালে বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন সংশোধন করে জমিদারদের অধিকার হ্রাস এবং কৃষকদের অধিকার বৃদ্ধির চেষ্টা করেন।

*অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণয়ন করেন। ঢাকার কৃষি কলেজ এবং বরিশালের চাখার কলেজ স্থাপনের কৃতিত্ব হক সাহেবের। মুসলিম নারীদের শিক্ষার জন্য ঢাকায় ইডেন কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।


লাহোর প্রস্তাব-

২৩ মার্চ, ১৯৪০ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের জনসভায় শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহ নিয়ে ‘যুক্তরাষ্ট্র’ গঠনের প্রস্তাবই ছিল লাহোর প্রস্তাবের মূল বক্তব্য। লাহোর প্রস্তাবে উপমহাদেশের উত্তর পশ্চিমে ও পূর্বে একাধিক রাষ্ট্রের কথা বলা হলেও ১৯৪৬ সালে মি. জিন্নাহ লাহোর প্রস্তাব পরিবর্তন করে পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চল নিয়ে একটি রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দেন। এ   প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়।


এ কে ফজলুল হকের দ্বিতীয় মন্ত্রীসভা-

১৯৪১ সালে মুহম্মদ আলী জিন্নাহর সাথে মতানৈক্যর ফলে এ কে ফজলুল হক মুসলিম লীগ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি ড. শ্যামপ্রসাদের সাথে কোয়ালিশন সরকার গঠন করেন। এ মন্ত্রিসভা শ্যামা-হক মন্ত্রিসভা নামে পরিচিত। এই মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ কে ফজলুল হক। ১৯৪৩ সালে এই মন্ত্রিসভার পতন হয়।


ক্রিপস মিশন-

*ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল কর্তৃক স্যার স্টাফোর্ড ক্রিপসকে ১৯৪২ সালে এ উপমহাদেশে প্রেরণ।

*রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে ক্রিপস কর্তৃক উত্থাপিত প্রস্তাব ‘ক্রিপস প্রস্তাব’ নামে পরিচিত।


ভারত ছাড় আন্দোলন-

ভারতের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে ক্রিপস মিশন ব্যর্থ হলে ১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ‘ভারত ছাড়’ দাবিতে ইংরেজ বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।


১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানিরা বার্মা দখল করলে এখান থেকে বাংলায় চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। পক্ষান্তরে বাংলার খাদ্য শস্য ক্রয় করে বাংলার বাহিরে সৈন্যদের রসদ হিসেবে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অসাধু, লোভী ও মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা খাদ্য গুদামজাত করে। এছাড়া অনাবৃষ্টির ফলে বাংলার খাদ্য উৎপাদনও হ্রাস পায়। ফলে ১৯৪৩ সালে বাংলায় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ হয়। এ দুর্ভিক্ষে আনুমানিক ৩০ লক্ষ লোক প্রাণ হারায়। বাংলা ১৩৫০ সালে সংঘটিত এই দুর্ভিক্ষ ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ নামে পরিচিত।


মন্ত্রী মিশন-

১৯৪৬ সালে ভারতের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক সংকট নিরসনের জন্য প্রধানমন্ত্রী এটলিতার মন্ত্রিসভার তিন সদস্যকে ভারতে প্রেরণ করেন যা মন্ত্রীমিশন নামে পরিচিত।


অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ মন্ত্রিসভা ঃ 

১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ জয়লাভ করলে তিনিই অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ মুখ্যমন্ত্রী হন। 


তেভাগা আন্দোলন (১৯৪৬-১৯৪৭)

*মোট উৎপন্ন ফসলের তিনভাগের দুইভাগ পাবে চাষী, একভাগ পাবে জমির মালিক- এ দাবি থেকে তেভাগা আন্দোলনের সূত্রপাত। 

*বাংলার প্রায় ১৯টি জেলায় তেভাগা আন্দোলন নামে কৃষক আন্দোলন শুরু ।

* দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় এই আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করেছিল। 

* আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র। 


Comments