(১৮,১৫৩ বর্গ কিমি)
সিরাজগঞ্জ জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- যমুনা, করতোয়া, বড়াল।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- এনায়েতপুরের খাজা পীর সাহেবের মাজার।
রাজশাহী জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- পদ্মা, আত্রাই, মহানন্দা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- পুঠিয়া রাজবাড়ি, হযরত শাহ মখদুম (র) এর মাজার, বরেন্দ্র অনুুসন্ধান সমিতি জাদুঘর, পুলিশ ট্রেনিং একাডেমী।
জয়পুরহাট জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- তুলসীগঙ্গা
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- জামালগঞ্জের কয়লাখনি, জয়পুরহাট চিনিকল।
পাবনা জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- যমুনা, পদ্মা, আত্রাই, বড়াল, ইছামতি।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- হেমায়েতপুর মানসিক হাসপাতাল, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনিস্টিটিউট।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা-
* পূর্বনাম নবাবগঞ্জ, ২০০১ সালের ১ আগস্ট নামকরণ করা হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
উল্লেখযোগ্য নদনদী- পদ্মা, মহানন্দা, পুনর্ভবা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- ছোট সোনা মসজিদ, আম গবেষণা কেন্দ্র।
* উপজেলা ১২টি- বগুড়া সদর, শেরপুর, আদমদীঘি, নন্দীগ্রাম, শিবগঞ্জ, কাহালু, ধুনট, গাবতলী, সারিয়াকান্দি, সোনাতলা, দুপচাঁচিয়া ও শাজাহানপুর।
উল্লেখযোগ্য নদনদী- যমুনা, করতোয়া, নাগর, বাঙালি।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- মহাস্থানগড়, বেহুলা লক্ষ্মীন্দরের বাসর ঘর, শাহ সুলতান বলখী(র) এর মাজার।
* জনসংখ্যায় রাজশাহী বিভাগের বৃহত্তম জেলা- বগুড়া (৩৫,৩৯,২৯৪ জন) [পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১]
নওগাঁ জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- আত্রাই, তুলসী।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, জগদ্দল বিহার, হলুদ বিহার, কুসুম্বা মসজিদ।
নাটোর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- আত্রাই, বড়াল, নাগর, তুলসী।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- উত্তরা গণভবন(সাবেক দীঘাপাতিয়া রাজপ্রাসাদ), চলনবিল, নর্থ বেঙ্গল সুগারমিল।
(১৬,১৮৫ বর্গ কিমি)
** রংপুর বিভাগ হিসেবে যাত্রা শুরু করে- ১জুন ২০১০
রংপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- তিস্তা, ঘাঘট।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- কারমাইকেল কলেজ, তিস্তা বাঁধ প্রকল্প, পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়ার বাড়ি।
* তিস্তা সেচ প্রকল্প দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প। রংপুরের দোয়ানীতে তিস্তা নদীতে বাঁধ দিয়ে রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, লালমনিরহাট, নীলফামারী অঞ্চলের প্রায় ১৮ লক্ষ একর জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য।
দিনাজপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- করতোয়া, পুনর্ভবা, আত্রাই, যমুনা, টাঙন।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- কান্তজীর মন্দির, রামসাগর দীঘি, সীতাকোট বিহার।
ঠাকুরগাঁও জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- কুলিক, নাগর, টাঙন।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
গাইবান্ধা জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- যমুনা, তিস্তা, ঘাঘট।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
লালমনিরহাট জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- তিস্তা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- কবি বাড়ি (শেখ ফজলল করিমের বাস্তুভিটা ও সংগ্রহশালা)।
পঞ্চগড় জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- করতোয়া, আত্রাই, তিস্তা, ডাহুক, মহানন্দা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- বাংলাবান্ধা (জিরো পয়েন্ট)।
কুড়িগ্রাম জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- যমুনা, ধরলা, দুধকুমার, তিস্তা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
নীলফামারী জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- তিস্তা, ঘাঘট।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
ঢাকা বিভাগ
(৩১,১৭৮ বর্গ কিমি)
ঢাকা জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বংশী, ধলেশ্বরী।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- জাতীয় সংসদ, লালবাগ কেল্লা, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, আহসান মঞ্জিল, পরী বিবির মাজার, ঢাকেশ্বরী মন্দির, হেসেনি দালান, চামেলী হাউস, তারা মসজিদ, বাহাদুর শাহ পার্ক, কার্জন হল, জাতীয় স্মতিসৌধ, জাতীয় শহীদ মিনার, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, বঙ্গভবন।
রাজবাড়ি জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- পদ্মা, কুমার, গড়াই।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- মীর মশাররফ হোসেনের বাড়ি।
নরসিংদি জেলা
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মেঘনা, শীতলক্ষ্যা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- ঘোড়াশাল সার কারখানা, উয়ারী বটেশ্বর গ্রাম।
টাঙ্গাইল জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- যমুনা, ধলেশ্বরী, বংশী।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- আতিয়া জামে মসজিদ, মধুপুরের গড়, ভারতেশ্বরী হোমস, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ।
গোপালগঞ্জ জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মধুমতি।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার, কোটালিপাড়া।
মুন্সিগঞ্জ জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- ধলেশ্বরী, পদ্মা, মেঘনা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থান পন্ডিত ভিটা।
মানিকগঞ্জ জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- পদ্মা, যমুনা, ধলেশ্বরী।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
নারায়ণগঞ্জ জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মেঘনা, ধলেশ্বরী, শীতলক্ষ্যা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- সোনারগাঁও, সুলতান গিয়াসউদ্দিন আযম শাহের মাজার, পাঁচ বিবির মাজার।
কিশোরগঞ্জ জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মেঘনা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, ধলেশ্বরী, কালনী, বাউলাই।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ।
গাজীপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- তুরাগ, শীতলক্ষ্যা, বালু।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- আনসার ও ভিডিপি একাডেমী, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান।
শরীয়তপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- পদ্মা, মেঘনা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
মাদারীপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- পদ্মা, পুরাতন কুমার।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
ফরিদপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- পদ্মা, মধুমতি, কুমার, আড়িয়াল খাঁ।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- নদী গবেষণা ইনিস্টিটিউট, আটরশি ও চন্দ্রপাড়া পীর সাহেবের দরবার শরীফ।
উল্লেখযোগ্য নদনদী- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, শীতলক্ষ্যা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- নজরুলের স্মৃতিময় ত্রিশালের দরিরামপুর, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গারো পাহাড়।
জামালপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- যমুনা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- যমুনা সার কারখানা, শাহ জামালের মাজার।
শেরপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, কংস।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- কাচবালি ও সিলিকা ক্ষেত্র।
নেত্রকোনা জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- কংস, বাউলাই।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
(৩৩,৯০৯ বর্গ কিমি)
চট্টগ্রাম জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- কর্ণফুলি, সাঙ্গু, ফেনী, হালদা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- ফয়’স্ লেক, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, বায়েজিদ বোস্তামির মাজার, আগ্রাবাদ জাতিতত্ত্ব জাদুঘর, জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, সীতাকুন্ড ইকো পার্ক ও চন্দ্রনাথ মন্দির, ঐতিহাসিক কোর্ট বিল্ডিং।
নোয়াখালী জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মেঘনা, ডাকাতিয়া।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- বজরা শাহী মসজিদ, নিঝুম দ্বীপ।
কুমিল্লা জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মেঘনা, গোমতী।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- ময়নামতি পাহাড়, ললমাই পাহাড়, শালবন বিহার, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী(বার্ড), বাখরাবাদ গ্যাস উত্তোলন কেন্দ্র।
কক্সবাজার জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মাতামুহুরী, নাফ।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- কুতুবদিয়া বাতিঘর, হিমছড়ি, শাহ পরীর দ্বীপ, এলিফ্যান্ট পয়েন্ট, মহেশখালী দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, ইনানী সৈকত।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- তিতাস, মেঘনা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- তিতাস গ্যাস উত্তোলন কেন্দ্র, আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সার কারখানা।
লক্ষ্মীপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মেঘনা, ডাকাতিয়া।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
চাঁদপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মেঘনা, ডাকাতিয়া।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
ফেনী জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- ফেনী, মুহুরি।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- মহিপালের বিজয় সিংহ দীঘি।
বান্দরবান জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- সাঙ্গু, মাতামুহুরী, শঙ্খ।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং (যা বিজয় বা মাদক মুযাল নামেও পরিচিত), দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং, বাংলার দার্জিলিং খ্যাত চিম্বুক পাহাড়, নীলগিরি।
রাঙামাটি জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- কর্ণফুলি, কাশালং, শঙ্খ।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- কাপ্তাইলেক, উপজাতীয় জাদুঘর।
খাগড়াছড়ি জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- কর্ণফুলি।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র।
(২২,২৮৪ বর্গ কিমি)
খুলনা জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- রূপসা, পশুর, কপোতাক্ষ।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- সুন্দরবন, কবি কৃষ্ণচন্দ্রের বাড়ি, বিএল কলেজ।
সাতক্ষীরা জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- রায়মঙ্গল, কালিন্দী, হাড়িয়াভাঙ্গা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- সুন্দরবন।
যশোর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- কপোতাক্ষ, ভৈরব।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- নবাব মীর জুমলার বাড়ি, সাগরদাঁড়ির মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি, হাজী মোহাম্মদ মোহসীন নির্মিত ইমাম বাড়ি, মণিহার সিনেমা হল।
ঝিনাইদহ জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- নবগঙ্গা, কুমার।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- বেথুলী বটগাছ(সপ্তদশ শতাব্দী, এটি এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তম বটগাছ বলে পরিচিত)।
চুয়াডাঙ্গা জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- নবগঙ্গা, ইছামতি।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- দর্শনা চিনিকল।
মেহেরপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- ভৈরব, ইছামতি।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ।
কুষ্টিয়া জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- গড়াই, কুমার।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- লালন শাহের মাজার (ছেউড়িয়া), রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি (শিলাইদহ), তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র (ভেড়ামারা), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
নড়াইল জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- নবগঙ্গা, মধুমতি, চিত্রা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- শিল্পী এস এম সুলতান চিত্র কর্মশালা।
বাগেরহাট জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মংলা, মধুমতি, হরিনঘাটা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- হযরত খান জাহান আলী(র) এর মাজার, ষাট গম্বুজ মসজিদ, হিরণ পয়েন্ট, টাইগার পয়েন্ট, মংলা সমুদ্রবন্দর।
মাগুরা জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- গড়াই, কুমার, মধুমতি।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
(১৩,২২৫ বর্গ কিমি)
বরিশাল জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মেঘনা, আড়িয়াল খাঁ, বিশখালী, কীর্তনখোলা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- শের-এ-বাংলা জাদুঘর(চাখার)।
বরগুনা জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- হরিণঘাটা, বিশখালী।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
ভোলা জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- মেঘনা, তেতুঁলিয়া, শাহবাজপুর।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- শাহবাজপুর গ্যাস উত্তোলন কেন্দ্র, মনপুরা দ্বীপ।
ঝালকাঠি জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- সুগন্ধা, বিশখালী।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
পিরোজপুর জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- বলেশ্বর, মধুমতি।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান-
পটুয়াখালী জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- তেতুঁলিয়া, আগুনমুখা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- সীমা বৌদ্ধ বিহার, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।
(১২,৬৩৬ বর্গ কিমি)
সিলেট জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- সুরমা, কুশিয়ারা।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- হযরত শাহজালাল (র) এবং হযরত শাহপরান (র) এর মাজার, জাফলং লেক, জৈন্তাপুর এলাকার চা বাগান, ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা, হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র।
মৌলভীবাজার জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- ধলাই, মনু।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- মাধবকুন্ড জলপ্রপাত।
সুনামগঞ্জ জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- সুরমা, কালনী।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- হাইল হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী।
হবিগঞ্জ জেলা-
উল্লেখযোগ্য নদনদী- কালনী, খোয়াই।
ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান- বানিয়াচঙের আখড়া, চা বাগান।
Comments
Post a Comment